Logo

Featured News

মৃত পরিযায়ী শ্রমিকের পরিবারের পাশে জেলা শাসক ও মন্ত্রী

By Malda 24 live | Posted on: 08 September 2024

banner image

ভিন রাজ্যে মৃত পরিযায়ী শ্রমিকের পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন জেলা প্রশাসন ও মন্ত্রী। পেটের তানে কাজ করতে গিয়েছিলেন ভিন রাজ্যে আর সেখানেই পিটিয়ে মারধর করা হয়, তারপর হাসপাতালে ভর্তি করানো হলে শেষ রক্ষা হয়নি? শুক্রবার সকালেই তার মৃত্যু হয়। মালদা জেলার হরিশ্চন্দ্রপুর এক নম্বর ব্লকের অন্তর্গত ভিঙ্গল গ্রাম পঞ্চায়েতের মিসকিনপুর গ্রামের পরিযায়ী শ্রমিক মতি (৪৫)। পরিবার সূত্রে জানা গেছে,রাজস্থানের জয়পুরে একটি সোনার দোকানে দীর্ঘ কুড়ি বছর ধরে এই কাজ করত সে। চলতি বছরের পাঁচ মাস আগে বাড়ি এসেছিল তারপর আবার সেই সোনার দোকানে কাজ করতে যাই।যেখানেই দোকানের আরেক কর্মচারীর সঙ্গে তার ঝামেলা হয়। দোকানের খাবার ঘরে, একাই পেয়ে তাকে মারধর করে বলে অভিযোগ পরিবারের। তারপরে অসুস্থ হয়ে পড়লে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি?চিকিৎসা চলাকালীন শুক্রবার সকালে মৃত্যু হয় তার। সেদিনই সেই খবর পাওয়া মাত্রই পরিবারটির সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের প্রতিমন্ত্রী তাজমুল হোসেন, জেলা সভাপতি আব্দুর রহিম বক্সি ও মহাকুমা শাসক সৌভিক মুখার্জি। মহকুমা শাসক পরিবারটির হাতে সমব্যথী প্রকল্পের টাকা তুলে দিয়েছিলেন।শনিবার রাত্রে তার দেহ গ্রামের বাড়িতে এসে পৌঁছায়।তারপরেই শোকের ছায়া নেমে আসে গোটা এলাকায়। রবিবার দিন পরিবারটির সঙ্গে দেখা করতে আসেন মালদহের জেলাশাসক নীতিন সিঙ্হানিয়া, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের দুই প্রতিমন্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন ও তাজমুল হুসেন।সঙ্গে ছিলেন ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট প্রীতিশ দাস, বিডিও সৌমেন মন্ডল, জেলা সভাপতি আব্দুর রহিম বক্সি, জেলা পরিষদের সভাধিপতি লিপিকা বর্মন ঘোষ,সহকারি সভাধিপতি এটিএম রফিকুল হোসেন, জেলা পরিষদের কৃষি কর্মদক্ষ রবিউল ইসলাম, জেলা পরিষদের সদস্য মর্জিনা খাতুন, ব্লক সভাপতি জিয়াউর রহমান সহ অন্যান্য তৃণমূলের নেতাকর্মীরা।এদিন তারা পরিবারটির সঙ্গে দেখা করে সমবেদনা জানান। মুখ্যমন্ত্রী নির্দেশে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে 2 লক্ষ 25 হাজার টাকার চেক তুলে দেওয়া হয় পরিবারের হাতে।পরবর্তীতে পরিবারটির পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন জেলা শাসক।এদিন এরই প্রতিবাদে লক্ষণপুর বাস স্ট্যান্ডে একটি মৌন মিছিল করা হয়। মিছিলে পা মিলিয়ে ছিলেন প্রতিমন্ত্রী তাজমুল হোসেন, জেলা সভাপতি আব্দুর রহিম বলছি, জেলা পরিষদের কর্মদক্ষ রবিউল ইসলাম, ব্লক সভাপতি জিয়াউর রহমান,জেলা পরিষদের সদস্য মর্জিনা খাতুন, জেলা তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক মঙ্গলউদ্দীন সহ তৃণমূলের অন্যান্য নেতাকর্মীরা। বিজেপির শাসিত রাজ্য এখানের কিছু বিজেপি নেতাকর্মীরা বাংলার মানুষকে দেখতে পাচ্ছে না। কিছুদিন আগে এক বাংলার পরিযায়ী শ্রমিককে মারধর করে ভিডিওর ভাইরাল করা হয়। তারপরে মিসকিনপুরের মিতিকে মারধর করা হয়। যদি এরপর বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকদের ওপর কোন অত্যাচার হয় সেটা তৃণমূল কংগ্রেস তীব্র প্রতিবাদ জানাবে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এমনটাই জানান জেলা সভাপতি আব্দুল আব্দুর রহিম বক্সি।